Home » পরিচিতি

Category Archives: পরিচিতি

সভাপতির আহবান

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ, শিক্ষার ইসলামীকরণ ও ঈমানভিত্তিক (বিশ্বাস) শিক্ষা-ব্যবস্থা প্রণয়নের অগ্রদূত শাহসূফী অধ্যাপক সৈয়দ আলী আশরাফ রহ. তাঁর শিক্ষা-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৮৬ সালে দারুল ইহসান ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন পৃথিবীর খ্যাতনামা ইসলামী চিন্তাবিদগণ। তাঁর জীবনের সমস্ত চিন্তা-চেতনা ও অর্জিত সম্পদ তিনি এ ট্রাস্টের জন্য তথা ট্রাস্টের অধীন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়াক্ফ করে গেছেন। তাঁর ইন্তেকালের পর এ প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ওয়াকিফহাল ইসলামপ্রিয় সকল মুসলমানদের।

তাই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি আন্তরিক পরামর্শ ও আর্থিক সহযোগিতাসহ সব ধরনের সহানুভূতি নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

অধ্যাপক হেলাল আহমেদ
সভাপতি, গভর্নিং বডি

পাঠ্যক্রমের মূলনীতি

আল্লাহ্ পাক সব জ্ঞানের-ই উৎস,  যার সাক্ষ্য দেয় পবিত্র কুরআন। এরশাদ হচ্ছে: -وَعَلَّمَ ادَمَ الأَسْمَاءَ كُلّهَا আদম আ.-কে আল্লাহ্ পাক সব নাম শিখিয়েছেন। তাই জ্ঞানের শাখা-প্রশাখা যা আমরা বর্তমানে দেখতে পাই তার সম্পর্ক রয়েছে আল্লাহ্ পাকের কিতাবের সাথে। তাই এরশাদ হয়েছে – وَنَزَّلْنَاعَلَيْكَ الكِتَابَ تِبْيَانًا لِكُلِّ شَىءٍ  অর্থাৎ আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি, যা হচ্ছে প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা। তাই দারুল ইহ্সান ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ড. সৈয়দ আলী আশরাফ (রহ.) উক্ত শাখা-প্রশাখাগুলোকে প্রধানত তিনভাগে বিভক্ত করেছেন। যথা- (১) ধর্ম বিজ্ঞান (২) মানব বিজ্ঞান (৩) প্রকৃতি বিজ্ঞান। এ শাখাগুলোর সবই ধর্মবিজ্ঞানের মাধ্যমে জ্ঞানের প্রকৃত উৎস আল্লাহ্ পাকের সাথে সম্পর্কিতÑ যা তিনি নিম্নবর্ণিত আকারে সাজিয়েছেন:

অর্থাৎঃ মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি। তাই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ পাকের সাথে তার যে সম্পর্ক রয়েছে তা ধর্মবিজ্ঞানের মাধ্যমে জানতে হবে। তারপর, যেহেতু মানুষ স্বভাবগতভাবে সামাজিক, একাকী বসবাস করতে পারে না; সেহেতু তাঁর সাথে অন্য মানুষের সম্পর্ক কি হবে, কিভাবে হবে তা মানব বিজ্ঞানের মাধ্যমে জানতে হবে। এবং যেহেতু মানুষ অন্যান্য সৃষ্টিকে তার নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করে তাই সে সম্পর্কে তাকে প্রকৃতি বিজ্ঞানের মাধ্যমে জানতে হবে। আর এমনভাবে তাকে মানব বিজ্ঞান ও প্রকৃতি বিজ্ঞান জানতে হবে যাতে সে সবকিছুতেই সৃষ্টিকর্তার কুদরত ও দয়ার প্রমাণ খুঁজে পায়। অর্থাৎ ধর্মবিজ্ঞানই হবে মানব বিজ্ঞান ও প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রকৃত মাপকাঠি।

তাই যারা কুরআন-হাদীসের জ্ঞানে উন্নত জ্ঞানী হবে তাদের জ্ঞানের অন্যান্য শাখা সম্পর্কেও ধারণা থাকা প্রয়োজন। এ প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠাতা ড. সৈয়দ আলী আশরাফ (রহ.) এর শিক্ষাদর্শন ও জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে সাজানো।

(১) ধর্মবিজ্ঞান (Religious Sciences) : তাফসীরুল কুরআন, হাদীস, ফিক্হ, উসূলে ফিক্হ, আরবি সাহিত্য, আরবি কথোপকথন, আকীদা, বালাগাহ্, ইসলামী সংস্কৃতি ও দর্শন।

(২) মানব বিজ্ঞান (Human Sciences) : বাংলা, ইংরেজি, ভূগোল, ইতিহাস, সমাজ বিজ্ঞান ও অর্থনীতি।

(৩) প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Sciences): গণিত, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ইত্যাদি।

মাদ্রাসার বৈশিষ্ট্য

  •  হিফযের পাশাপাশি ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং এরপর যথারীতি জেডিসি, দাখিল, আলিম ও ফাযিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ।
  • ৫ম, ৮ম (ঔউঈ), দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় এ পর্যন্ত ১০০% পাশ
  • দাখিল কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় একাধিকবার ১০০% অ+ এবং ৫০%-৬০% গোল্ডেন A+
  • নকলমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসাবে কেন্দ্রের স্বীকৃতি ও সুখ্যাতি অর্জন
  • চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ বই-সম্বলিত লাইব্রেরি
  • শরীর-চর্চা ও খেলাধুলার বিশাল মাঠ
  • জামা-কাপড় ধোয়া ও ইস্ত্রি করার জন্য নিয়মিত লন্ড্রি-সার্ভিস
  • ছাত্রদের শোয়ার জন্য খাটের ব্যবস্থা
  • প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মিনি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য-পরিচর্যার জন্য সার্বক্ষণিক এম.বি.বি.এস. শিশু-অভিজ্ঞ ডাক্তার ও অভিজ্ঞ মেডিকেল কেয়ার
  • উন্নতমানের স্বাস্থ্যসম্মত রুচিশীল খাবার পরিবেশন
  • লোড-শেডিং-মুক্ত মাল্টি-সিস্টেম জেনারেটর
  • কচি-কাঁচাদের জন্য মনোরম শিশুপার্ক
  • দাখিলে যথাক্রমে সাধারণ, বিজ্ঞান, হিফযুল কোরআন বিভাগসহ কম্পিউটার বিষয় রয়েছে
  • আলিম পাশ করার পর এসব ছাত্র দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন অনুষদে সরাসরি ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করবে। এছাড়া দেশী-বিদেশী
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন বিভাগে ভর্তির যোগ্যতা লাভ করবে।
  • মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান ইত্যাদি এমনভাবে শিক্ষা
  • দেয়া হয় যাতে ছাত্ররা ধর্মীয় জ্ঞানে উন্নত আলেম হওয়ার সাথে সাথে আধুনিক জ্ঞানেও সমমানে পৌঁছাতে পারে
  • কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা

 

পরিকল্পনাধীন:

ক) ফাযিল অনার্স

খ) কামিল মাস্টার্স

গ) বালিকা শাখা

 

মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য

কুরআন শরীফ আল্লাহ্ তা’আলার পবিত্র বাণী। এতে রয়েছে সমস্ত জ্ঞানের উৎস। রাসূলুল্লাহ সা. কুরআন মজীদের কোন অংশ অবতীর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই তা মুখস্থ করে নিতেন, ওহী লেখকদের দিয়ে তা লেখাতেন এবং তাঁর সাহাবীগণকেও তা মুখস্থ করার উপদেশ দিতেন। রাসূল সা. নিজে সাহাবীগণকে কুরআন মজীদ বুঝিয়ে দিতেন। তাই দেখা যায় যে, ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই একদল লোক পবিত্র কুরআন শরীফ মুখস্থ করা, অন্যকে মুখস্থ করানো, নিজে বুঝে অপরকে বুঝানোর মহান দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় যারা কুরআনের হাফেয হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই কুরআন মজীদকে বুঝার সুযোগ পাচ্ছে না বা বুঝার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। কারণ প্রচলিত প্রথায় হিফ্য চলাকালীন সময় তেমন কোন জ্ঞান তাকে শিক্ষা দেয়া হয় না। তাই হিফ্য শেষ করার পর বয়স বেশি হওয়ার কারণে অথবা অন্য কোন জ্ঞান তার মধ্যে বিকশিত না হওয়ার ফলে ভবিষ্যৎ-জীবনে উন্নত শিক্ষা লাভের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

সুতরাং কুরআন সংরক্ষণের গুরুত্ব, দারুল ইহ্সান ট্রাস্ট স্থাপনের উদ্দেশ্য ও বর্তমান যুগের চাহিদা ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রেখে ট্রাস্ট কর্র্তৃপক্ষ বিশেষ করে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ড. সৈয়দ আলী আশরাফ (রহ.) এ বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞ সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে ১৯৯২ ইং সনে দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে একটি আদর্শ মাদ্রাসা স্থাপন করেন, যার নামকরণ করা হয় “মাদ্রাসা তাহ্ফিযুল কুরআনিল কারীম”। আর দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আলী আশরাফ ইনস্টিটিউট অব হাইয়ার ইসলামিক লার্নিংকে এর একাডেমিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব অর্পণ করেন।

দারুল ইহ্সানের উদ্দেশ্য

ড. সৈয়দ আলী আশ্রাফ

ক) এমন একটি শিক্ষায়তন গড়ে তোলা যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা সত্যিকারের মানুষ হিসাবে গড়ে উঠবে এবং এমনভাবে শিক্ষালাভ করবে যেন তারা ঐহিক, পারলৌকিক, প্রাকৃতিক এবং সামাজিক জ্ঞান-বিজ্ঞানকে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবার, বাছ-বিচার এবং গ্রহণ-বর্জন করার ক্ষমতা অর্জন করে।

খ) এমন ধরনের শিক্ষক তৈরী করা, যে শিক্ষক সাহিত্য, শিল্পকলা, সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং অন্যান্য সমস্ত জ্ঞান-বিজ্ঞানকে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে আয়ত্ত করার এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সেই দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষাদান করার পদ্ধতি অর্জন করবেন।

গ) শিক্ষকদের এবং ছাত্র-ছাত্রীদের এই নতুনভাবে জ্ঞান অর্জন পদ্ধতি আয়ত্ত করার জন্য এমন একটি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন করা, যে কেন্দ্রে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত্তিমূলে যে সমস্ত ধর্মবিরোধী (ংবপঁষধৎ) ভাবধারা রয়েছে তার স্থলে ইসলামী ভাবধারা প্রতিষ্ঠা করার কাজ চালাবে এবং সেই ভাবধারার ভিত্তিতে শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং পাঠ্যসংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় বস্তু তৈরি করার পূর্ণ ব্যবস্থা থাকবে।

ঘ) এ সমস্ত জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে মানুষকে সে পথে পরিচালিত করা যে পথ অনুসরণ করে মানুষ আল্লাহ্ তা’আলার খলীফা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। সেই যোগ্যতা অর্জন করতে হলে প্রথম এবং বিশেষ প্রয়োজন হচ্ছে নিয়তের বিশুদ্ধতা অর্থাৎ আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও জন্য কিছু করার খেয়াল না করা এবং দ্বিতীয় প্রয়োজন চারিত্রিক পবিত্রতা যাকে কুরআন শরীফে নফস্রে ‘তায্কিয়া’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। দারুল ইহ্সানের বিশেষ উদ্দেশ্য হচ্ছে সেই নিয়তের বিশুদ্ধতা অর্জন করার, তায্কিয়া-এ-নফ্স্ হাসিল করার এবং খলীফা হওয়ার উপযোগিতা অর্জন করার পদ্ধতি শিক্ষা দেওয়া।

অধ্যক্ষের বাণী

الحمد لله رب العالمين. الصلاة و السلام علي سيد المرسلين. وعلي آله و أصحابه أجمعين. أما بعد

 

বিশ্ববরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ আলী আশরাফ র. এর শিক্ষার ইসলামীকরণের সূতিকাগার হল ‘তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা’। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তা নিজস্ব আদর্শ ও গতিতে ইসলামী শিক্ষা-বিস্তারে নিয়োজিত। সূচনা থেকে এর সফলতার ধারা আজও সমান গতিশীল।

আল-হামদু লিল্লাহ, মক্তব থেকেই এখানকার ছাত্রদের যথাযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রয়াস নেওয়া হয়। এ জন্য এখানে একটি শিশু শিক্ষা-জীবনের শুরুতেই তাজবীদসহ কুরআন পড়ার দক্ষতা অর্জন করে। সেই সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনের মাসয়ালা-মাসায়েল এবং ইসলামী বিষয় সম্পর্কেও সে জ্ঞাত হয়। যথাসময়ে এবং সিলেবাস অনুযায়ী হিফয সম্পন্ন করার সফলতা ইতিমধ্যে স্বীকৃত হয়েছে। মাদরাসার সেমিস্টার ও বার্ষিক পরীক্ষাসহ বোর্ডের পরীক্ষায়ও ছাত্রদের কৃতিত্ব সর্বজনবিদিত।

সুন্নতের পা-বন্দিসহ ছাত্রদের তাযকিয়ায়ে নাফস তথা আমল-আখলাক শুদ্ধিকরণ এবং ইসলামের মানদণ্ড অনুসারে তাদেরকে শিষ্টাচারী হিসাবে গড়ে তোলার কঠিন দায়িত্ব আমরা নিরলসভাবে পালন করে যাচ্ছি। অনিসলামী-অমানবিক নানা প্রবণতায় সংক্ষুব্ধ বর্তমান বিশ্বে একজন শিশুকে ইসলাম-নিবেদিত সুযোগ্য মুসলিম হিসাবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই ইলমে-দীনের সঙ্গে সঙ্গে জাগতিক নানা জ্ঞানে বিভূষিত করার প্রচেষ্টায়ও আমরা সমান ভাবে আন্তরিক।

বিশ্বের নানা প্রান্তে নানা সময়ে ইতিহাসের সাক্ষী অনেক বিখ্যাত ইসলামী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, আমরা সে-সব প্রতিষ্ঠানেরই ধারাবাহিকতা মাত্র। তবে কালের পরম্পরায় আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি, তাই দায়িত্বও বেশি। এ দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্র“তি নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই। রাসুল সা. এর আদর্শ ও দিক-নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষাকেন্দ্রিক এ প্রচেষ্টায় আমরা সফল হতে চাই। মহান রাবুবল আলামীনের দরবারে আমাদের একান্ত নিবেদন, যেন প্রয়োজনীয় সকল উপায়-উপকরণসহ তিনি আমাদের পথ-পরিক্রমা সহজ করে দেন। আমীন।

(মোঃ হামিদুর রহমান)
অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)