Home » পরিচিতি » মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য

মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য

কুরআন শরীফ আল্লাহ্ তা’আলার পবিত্র বাণী। এতে রয়েছে সমস্ত জ্ঞানের উৎস। রাসূলুল্লাহ সা. কুরআন মজীদের কোন অংশ অবতীর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই তা মুখস্থ করে নিতেন, ওহী লেখকদের দিয়ে তা লেখাতেন এবং তাঁর সাহাবীগণকেও তা মুখস্থ করার উপদেশ দিতেন। রাসূল সা. নিজে সাহাবীগণকে কুরআন মজীদ বুঝিয়ে দিতেন। তাই দেখা যায় যে, ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই একদল লোক পবিত্র কুরআন শরীফ মুখস্থ করা, অন্যকে মুখস্থ করানো, নিজে বুঝে অপরকে বুঝানোর মহান দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় যারা কুরআনের হাফেয হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই কুরআন মজীদকে বুঝার সুযোগ পাচ্ছে না বা বুঝার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। কারণ প্রচলিত প্রথায় হিফ্য চলাকালীন সময় তেমন কোন জ্ঞান তাকে শিক্ষা দেয়া হয় না। তাই হিফ্য শেষ করার পর বয়স বেশি হওয়ার কারণে অথবা অন্য কোন জ্ঞান তার মধ্যে বিকশিত না হওয়ার ফলে ভবিষ্যৎ-জীবনে উন্নত শিক্ষা লাভের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

সুতরাং কুরআন সংরক্ষণের গুরুত্ব, দারুল ইহ্সান ট্রাস্ট স্থাপনের উদ্দেশ্য ও বর্তমান যুগের চাহিদা ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রেখে ট্রাস্ট কর্র্তৃপক্ষ বিশেষ করে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ড. সৈয়দ আলী আশরাফ (রহ.) এ বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞ সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে ১৯৯২ ইং সনে দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে একটি আদর্শ মাদ্রাসা স্থাপন করেন, যার নামকরণ করা হয় “মাদ্রাসা তাহ্ফিযুল কুরআনিল কারীম”। আর দারুল ইহ্সান বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আলী আশরাফ ইনস্টিটিউট অব হাইয়ার ইসলামিক লার্নিংকে এর একাডেমিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব অর্পণ করেন।